সাধ্যের মধ্যে আভিজাত্য ! Shop Now

Mini Cart

New Saree Design 2023, যতই মেয়েরা জিন্স পরুক,পালাজো পরুক শাড়ির প্রতি মেয়েদের টান টা থেকেই যাবে। বাঙালি নারীর কাছে সব সময়ের সেরা পোশাক হচ্ছে শাড়ি।
শাড়ি মেয়েদের কাছে শুধু একটা কাপড় নয়, শাড়ি মানে প্রথম শাড়ি তার মায়ের শাড়ি পরা,বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শাড়ি পড়া, এমন অনেক স্মৃতি।

বর্তমানে নিত্য নতুন শাড়ীর কালেকশন বের হচ্ছে। যা প্রণয়িনী তে নতুন নতুন কালেকশনের এর শাড়ী রয়েছে। যা খুব কম প্রাইজের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত আছে।

তাহলে চলুন কিছু নতুন ডিজাইনের শাড়ি কালেকশন জেনে নেই- Designer Saree Collection


১. সিল্ক টিসু অ্যাপলিক শড়ি – New Saree Design 2023 

এ শাড়ী পরতে খুবেই আরাম এবং ক্যারি করা খুবেই সহজ। এ শাড়ীর দাম বেশি না। আর এর সাথে ব্লাউজের পিস রয়েছে। যার জন্য খুব সুন্দর দেখায় এবং শাড়ীর সাথে খুব সুন্দর মানিয়ে যায়। 



২. হাফ সিল্ক জামদানী

খুব সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের শাড়ি রয়েছে প্রণয়িনী তে। যা খুব স্বল্প দামে পেয়ে যাবেন। এ শাড়ী যেকোন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন। এ শাড়ীর কদর অনেক। বিভিন্ন ডিজাইনের ভিন্ন ভিন্ন কালারের শাড়ী পাবেন এখানে।



৩. অরিজিনাল ঢাকাই জামদানী – Designer Saree Collection 2023

অরিজিনাল ঢাকাই জামদানী। ভাল শাড়ির কদর করা ভাল। প্রণয়িনীর সুন্দর সুন্দর শাড়ির কালেকশন রয়েছে অনেক। যা খুব কম দামে পাবেন। এ শাড়ি যেকোন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন।

আখি

৳ 980.00

আচল

৳ 750.00

কবিতা

৳ 1,150.00

গুনগুন

৳ 1,150.00

চামেলি

৳ 750.00

চিত্রা

৳ 800.00



৪. অরিজিনাল রাজশাহী সিল্ক – New Saree Design 2023

শাড়ি কালেকশনে অরিজিনাল রাজশাহী সিল্কের শাড়ি থাকবে না এরকমটা হতেই পারে না। রাজশাহীর বিভিন্ন ধরণের সিল্ক কালেকশনের মধ্যে আপনার কালেকশনে নিতে চান? তাহলে প্রণয়িনী এর সাথে থাকুন। এখানে আছে অরিজিনাল রাজশাহীর সিল্কে শাড়ি।

৫. মনিপুরি শাড়ী

মনিপুরি এনা সিল্ক শাড়ী পরতে খুবেই আরামদায়ক। এবং দামও হাতের লাগালে। এ শাড়ীর ১৩ হাত এবং ২.৬ বহর। এ শাড়ীর সাথে ব্লাউজ পিস নেই।


৬. ধুপিয়ান সিল্ক

জনপ্রিয় ধুপিয়ান সিল্ক অসাধারণ কালারের শাড়ি গুলো সফট ও পড়তে খুবই আরামদায়ক। এ শাড়ীর দাম খুবেই কম। যেকোন অনুষ্ঠানে, নতুন হোল্ড, বিবাহ,  নিমন্তন, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন। এ শাড়ীগুলি পড়তে খুবেই আরাম।


৭. রাজশাহীর ফ্লোরা সিল্ক শাড়ি

শাড়ির কালেকশনে অরিজিনাল রাজশাহী ফ্লোরা সিল্কের শাড়ি থাকবে না এরকমটা হতেই পারে না। রাজশাহীর বিভিন্ন ধরণের সিল্ক কালেকশনের মধ্যে আপনার কালেকশনে নিতে চান? তাহলে প্রণয়িনী এর সাথে থাকুন। এখানে আছে অরিজিনাল রাজশাহীর সিল্কে শাড়ি।


৮. অরিজিনাল মসলিন শাড়ি

খুব সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের শাড়ি রয়েছে প্রণয়িনী তে। যা খুব স্বল্প দামে পেয়ে যাবেন। এ শাড়ী যেকোন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন। এ শাড়ীর কদর অনেক। বিভিন্ন ডিজাইনের ভিন্ন ভিন্ন কালারের শাড়ী পাবেন এখানে।



৯. এন্ডি সিল্ক – New Saree Design 2023

অরিজিনাল রাজশাহী এন্ডি সিল্ক পরতে খুবেই আরাম। এটি ১৪ হাত শাড়ি, রানিং ব্লাউজ পিস সহপাবেন প্রণয়িনীতে। এ শাড়ী ড্রাই ক্লিন করতে হয়। নয়তো নষ্ট হয়ে যায়।
নতুন নতুন শাড়ীর ডিজাইন পেতে হলে প্রণয়িনীর সাথেই থাকুন। এখানে পাবেন নতুন নতুন কালেকশনের শাড়ি। যা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন।

Buy Our New Model Saree 

See price details about: m10 price in bangladesh, hp elitebook 840 g5 price in bangladesh, lenovo he05x price in bangladesh

Introduction: There are a few things to think about if you’re looking to start a new saree collection. Does your budget allow for such luxury or do you desire a nice item to adorn your home? Which fashion do you want to include in your collection? Finally, what budget do you have in mind? Finding the right saree collection for you might be challenging since they come in so many different styles and sizes.

What is the Saree Collection?

The Saree Collection is a collection of apparel made to highlight your greatest assets. There are three different saree styles: cardigan, suit, and blouse. Every kind of saree has a distinct fit and aesthetic. Find the best one for you depending on your height, body type, and level of exercise. The kind of saree, the quantity of fabric used, and the method of construction all affect the price of a saree.

What Qualities Should a Saree Have?

Consider the choice of colour, fit, and style while choosing a saree. To complement your style, you may also seek an accessory like a belt or scarf. Although the available hues often clash with other items in your wardrobe, they may be useful accents to any ensemble.

 

What Are the Various Saree Prices?

The kind of fabric chosen and the method of construction will affect how much the sare costs. Cotton, silk-blend cashmere (SBC), blended wool/cashmere (BWC), premium Clothing Wool/Cashmere Blend (LCC), and pure cashmere are available as options for fabric (PC). While more expensive than less expensive choices, higher-quality textiles may provide advantages like softer textures or better insulation. Pure cashmere is preferred by certain individuals because it is cosier than other textiles and may be customized with scarves and sweaters.

 

What Kinds of Sarees Are There? New Saree Collection

There are three different saree styles: cardigan, suit, and blouse. Every kind of saree has a distinct fit and aesthetic. Find the best one for you depending on your height, body type, and level of exercise. The kind of saree, the quantity of fabric used, and the method of construction all affect the price of a saree.
How to Start a Collection of Sarees.

There are a few things to think about if you’re considering purchasing a saree. Make sure the saree you desire is available in your size first. If it isn’t, think about looking for a comparable replacement. Additionally, if at all possible, look for a saree with a lining or material that will keep you warm on chilly days or throughout the winter.

Next, make sure you purchase the appropriate saree. Wool or other natural fibres should be used to create a formal saree. Choose a colour that will go well with your attire as well as any accessories you could wear.
Finally, be sure to carefully keep your saree, preferably in a cabinet or another conveniently accessible area. You may maintain it tidy and prepared to wear at all times in this manner.

Put On Your Saree – New Saree Collection

It’s time to start wearing your new saree collection after you’ve bought it! Put them aside somewhere they won’t be used often, such as in a closet, and then start wearing them as required. By wearing your SareeCollection often, you can maintain them clean and fresh-smelling while preserving the aesthetic value.
keeping your saree

It’s crucial to properly preserve your saresée once the first wearing has been finished so they maintain their finest appearance over time! In order to prevent them from being crowded or damaged during storage, one option is to position them nearby but out of sight. Alternatively, some individuals choose to store their Sarees behind glass or in case of rain/water damage!

Utilizing Your New Sarees Collection

Following are some fundamental actions to take once you begin utilizing your new Designer Sarees collection: First things first, remember to smile whenever you meet someone while wearing your new robes! Everyone benefits from it, and it makes interactions with others more civilized. Next, attempt to apply common sense when deciding which outfit would match best with each individual item of clothing in your collection. For instance, if two items of clothing are similar in appearance but vary in design or colour (for example, black vs. brown), try pairing them together instead. Last but not least, have fun looking for new gowns each week. It may be exciting and satisfying to discover something new.

Advice on How to Wear and Store a Saree Successfully.

Your saree should be loose-fitting and breathable. Before you start shopping, measure the diameter of your chest and waist to guarantee a suitable fit. Ask a friend or family to try on the outfit if you are unsure.
Ensure that the cloth is also comfortable to wear. To ensure that your saree will last a long time and look wonderful while travelling, choose one that is composed of high-quality fabrics like wool or cotton.
Your saree should be kept cold and dry throughout storage and transportation, such as in a wardrobe, armoire, or even the automobile.

Get Rid of Your Saree Correctly

When you’re done wearing your saree, be sure to fold it neatly and discard it as directed by your local ordinance in a trash can, cabinet, or garbage can. You can also recycle your sarees by putting them back into their original packaging and storing them at home once you’ve added rubbish and recycling paper to a takeout container to the appropriate weight.

Conclusion

The SareeCollection is certain to meet your demands if you’re seeking a high-quality item of apparel to wear. Finding the correct saree for you might be challenging since there are so many different styles and pricing points available. Additionally, it’s crucial to adhere to a few simple instructions while attempting to wear and keep a saree: confirm that the saree is the appropriate size for you; dispose of it properly; and store it in a cool, dry location.

 

 

 

 

Sari কেন নারীদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে?


শাড়ি হল এমন একটি পোশাক যা পড়লে বাংলার মেয়েদের রূপকে আরও বেশি সুন্দর করে তোলে। শাড়ি পারে একটি মেয়ের সৌন্দর্য আরো দ্বিগুন বৃদ্ধি করতে। বাঙালি মেয়েরা শাড়ি পরতে অনেক বেশি পছন্দ করে থাকেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেমন পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন, বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠান, বিভিন্ন পার্টি এছাড়া অনেক অনুষ্ঠানে তারা শাড়ি পরিধান করে থাকেন। পহেলা বৈশাখ, পহেলা ফাল্গুন, বিভিন্ন বিয়ের অনুষ্ঠান, বিভিন্ন পার্টির খুব সুন্দর সুন্দর শাড়ি পেয়ে যাবেন প্রণয়িনীতে

কোন এক সময় বাংলার মেয়েরা সব সময় শাড়ি পরিধান করে থাকতেন। কিন্তু এখন বিভিন্ন ধরনের থ্রি পিস  আর ম্যাক্সি পরিধান করায় মেয়েরা শাড়ি কম পরিধান করে। কিন্তু বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মেয়েরা তাদের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে তারা বিভিন্ন ধরনের রং বেরঙ্গের শাড়ি পরিধান করে থাকেন। যেমন তাঁতের শাড়ি, কাতান শাড়ি, বিভিন্ন ধরনের সিল্ক শাড়ি, এছাড়া এখন নতুন পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরনের ফেব্রিক এর শাড়ি। আবার আছে নকশী শাড়ি, মেয়েরা তাদের শাড়িতে নিজেদের ইচ্ছেমতো বিভিন্ন ধরনের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলেন, কেউ কেউ পরে ফেব্রিক এর মাধ্যমে রং তুলি দিয়ে আবার কেউবা পরে সুই সুতা দিয়ে নিজের মতো করে শাড়ি। এ শাড়ি গুলো পরলে মেয়েদের সৌন্দর্য আরো দ্বিগুন বৃদ্ধি পায়। এছাড়া বেনারসি শাড়ি, মসলিন শাড়ি, জামদানি শাড়ি, জর্জেট শাড়ি এগুলো বাংলার নারীরা বেশি পরিধান করে থাকেন।

এছাড়া এখনকার মেয়েরা নিজের পছন্দমত শাড়িতে চুমকি এবং জরি দিয়ে বিভিন্ন রূপে শাড়ীকে সাজ্জিত করে থাকেন। কোন কোন শাড়িতে পাওয়া যায় বাংলার রূপ বৈচিত্র, আবার কোন কোন শাড়িতে পাওয়া যায় বিভিন্ন সাহিত্যিকদের ছবি, আবার কোন কোন শাড়ীতে দেখা যায় বিভিন্ন আলপনা। এরকম শাড়ি দেখলে বাংলার প্রাচীন বাংলাকে স্মরণ করিয়ে দেয় সবার মাঝে। এ শাড়ি বিদেশেও খুব প্রচলন রয়েছে। তারাও এরকম শাড়ি পড়তে খুব পছন্দ করে। কারণ কথায় আছে শাড়ি হচ্ছে নারীর ভূষণ।


শাড়ি হচ্ছে এমন একটি জিনিস যা নারীদের রূপ বৈচিত্র কে এক নতুন রূপে সজ্জিত করে তুলে। এছাড়া শাড়ি হচ্ছে আমাদের প্রাচীন বৈশিষ্ট্যকে টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম। বারো হাত হচ্ছে শাড়ি, যা নারীদের সৌন্দর্যকে গরে তোলে এক অপরূপ বৈচিত্রে। যা অন্য পোশাক পড়লে নারীকে এতটা সুন্দর কখনো লাগবেনা।  তাই বলা হয় শাড়ি ছাড়া নারীকে অন্য  পোশাকে কোনদিনই মানাবে না। সেজন্য বাংলার রূপ বৈচিত্র কে টিকিয়ে রাখতে হলে শাড়ির কোন বিকল্প উপায় নেই বলা চলে। তাই সবার একটি কথাই মেনে চলতে হবে শাড়ির মাধ্যমেই আমরা আমাদের ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে পারি। আর শাড়ির কদর শুধু বাংলাদেশে নয় সারা বিশ্বব্যাপী শাড়ির কদর রয়েছে অপরিসীম।

 

বাংলার মেয়েরা বিভিন্ন ধরনের শাড়ি পরিধান করে থাকেন। যেমনঃ সাধ, বিবাহ, অন্নপ্রাশন এছাড়াও মুসলমানিতে তারা বিভিন্ন ধরনের শাড়ি পরিধান করে থাকেন। বিভিন্ন উৎসব মানেই মনে হয় নারীদের শাড়ির কদর কেমন তা বুঝা যায়। শাড়ির দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভিড় থাকে নারীদের। যা দেখলে বোঝা যায় বাংলাদেশের নারীদের শাড়ির কদর কত বেশি। এছাড়া বাংলাদেশি শাড়ি বিশ্বে অনেক প্রচলন রয়েছে। বাংলার জামদানি মসলিন কাতান যা অন্য দেশের  থেকে অনেক গুনে ভালো, যার কদর সারা জীবনই অনেক রয়েছে এবং থাকবে। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালি শাড়ির জন্য বিখ্যাত। এই শাড়ি গুলো বিশ্বে রপ্তানি হয়ে বাংলা রপ্তানি ভাগ্যকে অনেক বেশি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা হচ্ছে। তাই কথায় বলা হয় শাড়ি হচ্ছে নারীর ভূষণ এবং শাড়িই হচ্ছে নারীর কদর।


আমরা যেহেতু বাঙালি, তাই বাঙালি নারীদের শাড়ি পরা পছন্দ করে এটাই স্বাভাবিক। শাড়ি কিন্তু বাঙালি নারীদের পোশাক। সত্যিকথা বলতে গেলে বাঙালি মেয়েরা একটু খায় বেশি। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাদের দেহ মোটা একটু। আপনি যদি দক্ষিণ ভারতের মেয়েদের দেখেন সেক্ষেত্রে এমনটা দেখবেন না। আর মোটা মেয়েদের শাড়ি পরলে সবচেয়ে সুন্দর বেশি লাগে । শাড়ি পরলে সব কভার হয়ে থাকে।

নিত্য নতুন পোশাকের আধুনিকায়ন হলেও বাঙালি নারীর শাশ্বত সৌন্দর্য ফুটে ওঠে কেবল শাড়িতেই শুধু। শাড়ির চিরন্তন আবেদন আজও অমলিন রয়ে গেছে। ১২ হাত একখানা শাড়ির সৌন্দর্যের কাছে যেন হার মানে অন্য সব দামি দামি পোশাক। আর তাই তো বাঙালি নারীদের কাছে শাড়ি খুব শখের একটি পোশাক।


বারো হাত লম্বা একটি সেলাইবিহীন কাপড়কে সুকৌশলে নিখুঁতভাবে যদি গায়ে জড়িয়ে নেওয়া যায় সেই শৈল্পিক সৌন্দর্য শুধু বাঙালি নারীরাই জানে। আবার এই বিশাল কাপড় শরীরে জড়িয়ে সব কাজ করার ক্ষমতা শুধু নারী মানে বাঙালি নারীরাই করতে পারে। শাড়ি পরে যেমন অনেককে পুকুরে সাঁতার দিতে দেখা যায়, আবার শাড়ি পরে মোটরসাইকেলে চড়তে দেখা যায়, সাইকেলে চড়তে, হাঁড়ি চালাতে ইত্যাদি যায়গায় দেখা যায়। যুগ যুগ ধরে শাড়ির এই বিলাসিতা বিরাজ করুক বাঙালি নারীরা।

শাড়ি পরলে নারীদের  সৌন্দর্য আরও দ্বিগুন বৃদ্ধি পায়। তাই আপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে প্রণয়িনীর কালেকশনের শাড়ি পরতে পারেন। খুব কম প্রাইজের মধ্যে সুন্দর সুন্দর শাড়ি পেয়ে যাবেন। 

 

এখানে অনেকেই আছে ওয়েবসাইট বানাতে চাচ্ছেন, আপনি যদি Website বানাতে চান  তাহলে Foresight IT এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়াও তারা Monthly PackageDigital marketing Services Provide করে থাকে।

Indian Sarees কোথা থেকে কিনবেন ?


শাড়ি হচ্ছে বাঙালি নারীর সবচেয়ে নান্দনিক পোশাক। যুগে যুগে শাড়ি আমাদের ফ্যাশনের অংশ হয়েছে। বাঙালি নারীর সৌন্দর্যের ভূষণ হচ্ছে শাড়ি। কালো হোক ফর্সা হোক সব নারীকেই শাড়িতে বেশ লাগে। সবসময় শাড়ি পরা সম্ভব হয়ে উঠে না অনেকের। তবে বিয়েতে পোশাকের মেনুতে শাড়ি বাধ্যতামূলক বলা যায়।

বাঙালি নারী কল্পনা করলেই আমাদের চোখে ভেসে উঠে শাড়ি পরিহিতা ললনার চিত্র। শাড়ির ধরনে, বর্ণে আছে রকমফের। আপনার পছন্দের শাড়ি কী? কেমন ধরনের শাড়িই বা ভালোবাসেন পরতে? কোন অনুষ্ঠানে কি কালেকশন এর শাড়ি পরবেন? শাড়ি নিয়ে এমন অনেক জানা অজানা প্রশ্নের উত্তর নিয়েই সাজানো আজকের আয়োজন।


বিভিন্ন ইন্ডিয়ান শাড়ির ডিজাইন রয়েছে। যা আপনি সব ধরনের অনুষ্ঠানে পরতে পারবেন খুব সহজ ভাবেই। 

তার মধ্যে কিছু শাড়ি আপনাদের মাঝে তুলে ধরছি-

বাংলার তাঁত শাড়ি

তাঁত মানেই ট্র্যাডিশনাল, আজকাল তাঁতের শাড়িতেও কিন্তু যথেষ্ট ইউনিক একটা লুক আসে। ভরাট জমি, চওড়া পাড়, এই তো হল তাঁতের শাড়ীর বিশেষত্ব। শান্তিপুর, ধনেখালিতে তাঁত শিল্প কিন্তু এখনও বিখ্যাত আছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এই তাঁতেই আপনি পাবেন আনকোরা হাতের ছোঁয়া। যারা শাড়ি নতুন পরেন তাদের জন্য এই শাড়ি ম্যানেজ করা একটু কঠিন লাগে, কিন্তু আদতে আপনার জন্য এই শাড়ি গরমে পরার জন্য বেশ ভালো এবং আরামদায়ক। যা আমাদের পেজ প্রণয়িনী তে অনেক শাড়ী রয়েছে।


উত্তরপ্রদেশ বেনারসী শাড়ি
বেনারসী শাড়ী নিয়ে আর নতুন করে বলার কি আছে। সারা শাড়ি জুড়ে এর বিশেষত্বই হল সোনালী আর রুপালী জড়ির কাজ করা। এই শাড়ী গুলি বোনা হয় সত্যিকারের সোনার আর রুপোর সুতো দিয়ে। এক বছর ধরে সময় লাগত আগেকার দিনে এই শাড়ি গুলি নিখুঁত করে তৈরি করতে। কিন্তু এখনও বেনারসি শাড়ির কদর রয়েছে যথেষ্ট, মূলত বিয়েবাড়িতে আর বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাড়িতে।


বাংলার জামদানী শাড়ি

বাংলার শাড়ির ইতিহাসে অন্যতম নাম হচ্ছে বাংলার জামদানী শাড়ি। বহু বছর আগেই এই রয়াল শাড়ির ঘরানায় জামদানী শাড়ি জায়গা করে নিয়েছে। এই শাড়ি বাঙালী মেয়েদের খুব পছন্দের একটি শাড়ি। সুতোর কাজ করা মসলিন কাপড়ের উপর আলাদা লুক এনে দেয় এই শাড়ি গুলি। খুবেই আরামদায়ক বাংলার জামদানী শাড়ি গুলি।


গুজরাটের পাটোলা শাড়ি
পাটোলা শাড়ি হচ্ছে সিল্কের তৈরি ডবল ওভেন ইক্কতের তৈরি শাড়ি। গুজরাটের পাটান এলাকাকে বলা হয় গুজরাটের পাটোলা শাড়ির আঁতুড়ঘর। খুবই দামী হয়ে থাকে এই শাড়ি গুলো। কিন্তু আপনার শাড়ির কালেকশান কে সম্পূর্ণ রুপে গড়ে তুলতে পারে একটি পাটোলা শাড়ি। ভেলভেট পাটোলা শাড়ি গুলি বেশি বিক্রি হয় বর্তমানে, সুরাটে বানানো হয় এই শাড়ি গুলি।


রাজস্থানের লেহেরিয়া শাড়ি
এর আগে বন্ধনী শাড়ি নিয়ে কিছু আলোচনা করেছি। এটি হচ্ছে লেহেরিয়া বন্ধনী শাড়িরই একটা আলাদা ডিজাইন। মূলত অন্য ভাবে বেঁধে আর ডাই করে এই লেহেরিয়া শাড়িটি বানানো হয়ে থাকে। এটিই এই লেহেরিকে আলাদা করেছে বন্ধনী শাড়ি থেকে। লেহেরি রাজস্থানের একদম নিজস্ব আর সনাতন শাড়ি হচ্ছে রাজস্থানের লেহেরিয়া শাড়ি


মধ্য প্রদেশের চান্দেরী শাড়ি
মধ্য প্রদেশের চান্দেরী শাড়ি গুলি পালকের থেকেও নরম হয় । সিল্ক, জড়ি আর কটনের মিশ্রণে হাতে বুনে তৈরি করা হয় এই শাড়ি। রাজকীয় এই শাড়ি গুলি দেখতে কিন্তু সত্যিই খুব অনবদ্য। এটি ক্যারি করা এবং পরা খুবেই সহজ। আপনি যদি খুব ব্যস্ত থাকেন, কিন্তু তখন শাড়ি পড়তে হবে আপনার, তাহলে আপনার জন্য এই শাড়ি বেস্ট।


ওড়িশার বোমকাই শাড়ি
ওড়িশার বোমকাই শাড়িকে সোনপুরি সিল্কও বলা হয়ে থাকে। এই শাড়ি ইক্কত, এমব্রয়েডারি আর সুতোর কাজের এক অনবদ্য মেলবন্ধন আছে। আপনি এই শাড়িটি সিল্ক আর কটন এ দু ক্ষেত্রেই পেয়ে যাবেন। যে কোনও উৎসবের দিনে এই শাড়ি অন্য রকম করে তুলবে আপনাকে।


গুজরাটের বন্ধনী শাড়ি

গুজরাটের বন্ধনী শাড়ি শুনেই বুঝতে পারছেন, এই শাড়ির নাম এসেছে বন্ধন শব্দটি থেকে তাইনা। এই শাড়িটি যেভবে বেঁধে বেঁধে আর ডাই করে তৈরি করা হয় তার থেকেই এই শাড়িটির নাম এসেছে। রাজস্থান আর গুজরাট, এই দুই জায়গাই এই শাড়ির জন্য বিখ্যাত। এই শাড়ি অনেক দিন ধরে তৈরি করে আসছে গুজরাটের ক্ষেত্রী সম্প্রদায়ের মানুষ। এখনও এই শাড়ি তৈরি করার জন্য তাঁদের কদর রয়েছে খুব।


কেরলের কাসাভু শাড়ি
এই শাড়িটি কেরলের ট্র্যাডিশনাল শাড়ি, যাকে সেত্তু শড়ি বলে চিনে সবাই। তিনটি উপাদান মিলে এই শাড়িটি তৈরি করা, যার একটি ধুতির মতো করে পরা যায় শাড়ি, যাকে পোশাকি নাম বলে মুন্ডু, সঙ্গে ব্লাউজ আর একটি স্টোল রয়েছে, যেটা ব্লাউজের উপর দিয়ে নিতে হয়। কেরলের বৃদ্ধা মহিলারা আজও এই শাড়ি গুলি পড়তে দেখা যায়। তবে আজকের মডার্ন যুগে এটির মধ্যে সোনালী পাড় বসিয়ে আলাদা নতুন লুক আনা হয়েছে। এর সোনালী পাড় গুলি আসল সোনার সুতো দিয়ে তৈরি করা হয়। আজকের যুগের সঙ্গে মিল রেখে একে নানা রকম রঙ বেরঙ এর মধ্যে তৈরি করা হয়েছে।



তামিলনাডুর কাঞ্জিভরম শাড়ি
কাপড়ের মধ্যে কাঞ্জিভরমকে বলা হয় কাপড়ের রানি। এই সনাতন শাড়ি বোনা হয় তামিলনাডুর কাঞ্জিভরম অঞ্চদ্ধ থেকে। এটির বিশেষত্বই হল এর কাজের বাহার আর এর রঙ। এটি কিন্তু যে কোনও মেয়েকে অনন্য করে তুলতে পারে। তাই এই শাড়ীটি সব মেয়েরেই একটি করে থাকা চাই।

ইন্ডিয়ান শাড়ী কিনতে হলে প্রণয়িনী পেজ থেকে কিনতে পারেন। শাড়ী গুলি খুবেই ভালো এবং পড়তে আরাম। 

এখানে অনেকেই আছে ওয়েবসাইট বানাতে চাচ্ছেন, আপনি যদি Website বানাতে চান  তাহলে Foresight IT এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। 
এছাড়াও তারা Monthly PackageDigital marketing Services Provide করে থাকে।

Saree Style কেমন হওয়া উচিৎ:


কথাইয় আছে – যে রাঁধে সে চুল ও বাঁধে। এ কথা টা মেয়েদের তুলনা করে বলা হয়েছে। শাড়ি ফ্যাশান(Saree Fashion) এর চল কোনও দিন পুরনো হবে না। আর ফ্যাশানের কথা কি আর বলব শাড়ি হচ্ছে বেশ ট্রেন্ডিং। অনেকে সাবেকিয়ানাতে শাড়ি পড়েন আবার অনেকে ফ্যাশানে শাড়ি পড়ে থাকেন।

আজকাল অনেকেই শাড়ি পরাকে খুবই ঝামেলা মনে করে থাকেন। আবার অনেকে পুরোনো স্টাইল মনে করে থাকেন। আর যারা সচরাচর শাড়িকে একটু ভিন্ন মাত্রায় দেখতে চান তাদের জন্য কিছু টিপস দিচ্ছি। এসব স্টাইলে শাড়ি পরলে খুবেই সুন্দর দেখাবে আপনাকে। শাড়ি যদি একটু স্টাইল করে পরে তবে সবাইকেই বেশ সুন্দর দেখায়।

আখি

৳ 980.00

আচল

৳ 750.00

কবিতা

৳ 1,150.00

গুনগুন

৳ 1,150.00

চামেলি

৳ 750.00

বিভিন্ন স্টাইল এর শাড়ি পরার নিয়ম-

ধুতি Style Saree

এখানে মেয়েদের ধুতি পড়ার কথা বলা হয় নাই, তবে এই স্টাইল নিয়ে আসতে পারেন সচরাচর শাড়ী পরার স্টাইলে। তাই পরেরবার যদি কোন অনুষ্ঠানে যেতে হয়,তবে আপনি চাইলে এই ধুতি স্টাইলে শাড়ি পরার একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এর জন্য আপনাকে অবশ্যই লেগিংস বা জিন্স পড়তে হব। এ স্টাইলে পেটিকোট পরা লাগবে না। কারন পেটিকোট এ শাড়িতে ধুতির প্রভাব আনতে অসুবিধা হয়। ধুতি স্টাইল হয়ত একটু কঠিন মনে হতে পারে আপনাদের কাছে তবে একবার পরার পর আশা করি খারাপ লাগবে না এবং সহজ হয়ে যাবে। তাছাড়া এভাবে শাড়ী পরলে আপনাকে বেশ ভালো লাগবে চেষ্টা করে দেখলে তো আর কোন দোষ নেই। ধুতি স্টাইলে শাড়ি পড়ার  ক্ষেত্রে অবশ্যই শিফন বা লিনেন কাপড় বেঁছে নিবেন। কারণ এ ধরনের কাপড় খুব সহজেই যেভাবে খুশি সেভাইবেই ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে নিতে পারবেন খুব সহজেই। এর সাথে হাতাকাটা বা অফ-শোল্ডার ব্লাউজ নিতে পারেন, এতে খুব ভালো মানিয়ে যাবে।


 

বেল্ট স্টাইল শাড়ি

এখন বেল্ট স্টাইল শাড়ী পরাটা অনেকটাই পরিচিত হয়ে উঠেছে সবার কাছে। বেল্ট স্টাইল এ শাড়ী পরে যেখানে সাধারণ শাড়িকে আপনি করে তুলতে পারেন স্টাইলিশ। এ স্টাইলের জন্য আপনি যেকোন রঙের শাড়ি বেঁছে নিতে পারেন। তবে হ্যা গাঢ় রঙের শাড়িতে বেল্ট স্টাইল অনেক বেশি মানানসই হয়ে থাকে। এই স্টাইলের জন্য ইনফিনিটি ড্রেপ দেওয়া শাড়ির স্টাইলের সাথে এই সাজ অভিনবত্ব আনার জন্য জুড়ে নিন একটি বেল্ট। আপনি এই বেল্ট স্টাইল শাড়ীর  সাথে ব্লাউজের বদলে টপ বা শার্ট পরতে পারেন। এতে দেখতে আপনাকে খারাপ লাগবেনা আর শাড়িটাও বেশ ফিট থাকবে। এতে দেখতে খুবেই সুন্দর লাগবে।

 

 

Saree Style প্যান্ট

এ স্টাইলে শাড়ী পরতে আপনার শাড়ীর সাথে যেকোন একটি প্যান্ট লাগবে, লেগিংস বা জিন্স প্যান্ট হলে ভালো হয়। এতে দেখতে খুবেই সুন্দর লাগে। এই স্টাইলে শাড়ী পরলে  আপনাকে যেমন স্মার্ট দেখাবে তেমনি ঐতিহ্যবাহী পোশাকও পরা হবে, এতে অন্য রকম একটা লুক আসবে। এই স্টাইলে পেটিকোটের কোন প্রয়োজন নেই। এ স্টাইলের জন্য প্রথমে শাড়ি পেচানোর পরিবর্তে শাড়ির কুচি থেকেই বাকি অংশ আঁচলের মত পড়ে নিতে হবে ন। যাতে একদিকে আপনার শাড়ির ভাঁজ দেখা যাবে, এবং অন্যদিকে আপনার প্যান্টও যাতে দেখা যাবে হাটার সময়। এতে আপনাকে খুব সুন্দর লাগবে। এই ধরনের স্টাইল খুব অল্প সময়েই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে তরুণীদের জন্য। যারা শাড়ি সামলানো ঝামেলা মনে করেন,তারা এ স্টাইল ট্রাই করতে পারেন খুব সহজেই শাড়ী বহন করা যায়। আর তাদের জন্য একদম মানিয়ে যাবে প্যান্ট স্টাইল শাড়ি পরা। বর্তমানে তরুণীরাই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করছে এ ধরনের শাড়ীর ফ্যাশন। এতে একটা নয়া লুক ভাব আসে।


 

নেক ড্রেপ স্টাইল শাড়ি

অনেকেই ওড়নার একপাশ সামনে ছেড়ে দিয়ে অন্যপাশ গলায় পেচিয়ে পড়েছেন, একেই নেক ড্রেপ স্টাইল বলে। তাই নেক ড্রেপ স্টাইল এ  শাড়ি পরলে কিন্তু মন্দ দেখাবে না। শাড়ির আঁচল পিছনে ছেড়ে না দিয়ে তা ঘুরিয়ে সামনে আনবেন। এরপর সেই আচল গলার সাথে পেচিয়ে এবার পিছনে দিয়ে দিন। এ স্টাইলের জন্য আঁচলের দৈর্ঘ্য অনেকটাই বড় রাখতে হবে তা নাহলে ঘুরিয়ে আনা সম্ভব হবে না। এভাবে আঁচলের অনেকরকম স্টাইলও করা সম্ভব হবে। তবে এ স্টাইলের (নেক ড্রেপ) স্টাইলে শাড়ি হতে হবে শিফন বা লিনেন কাপড়ের যাতে পড়তে অসুবিধে না হয়। আপনি যদি খুব ভারী কাপড়ের শাড়ি বেঁছে নেন, তাহলে তা গলায় ড্রেপ করলে সাছন্দ্যবোধ করবেন না। এবং কি সুতি বা জামদানিতেও এই ধরনের স্টাইলে মানাবে না, দেখতে বাজে লাগবে। তাই শাড়ি পছন্দ করার সময় কাপড়ের ধরন দেখে পছন্দ করবেন। যেহেতু এ স্টাইলে গলায় পেচানর একটা ব্যাপার থাকে তাই ছড়ানো গলা বা বোর্ড গলার ব্লাউজ পছন্দ করে পড়বেন।


সামনে আঁচল স্টাইল শাড়ি

আমরা সচারচর সবাই আঁচল পিছনে ফেলে শাড়ী পরি। কিন্তু এবার একটু ভিন্ন স্টাইলে শাড়ী পরা শিখাব। সেটা হচ্ছে সামনে আঁচল রাখার স্টাইলে শাড়ী পরা শিখাব। এ স্টাইলে সচরাচর যে নিয়মে শাড়ি পরে থাকেন সেভাবেই, শুধু আঁচল পিছনে না দিয়ে তা ঘুরিয়ে এনে সামনে দিয়ে দিলেই হয়ে যাবে। সব ধরনের কাপড়ের শাড়ির সাথেই এ স্টাইলে পরতে পারবেন খুব সহজেই।


 

 

 

ক্লাসিক ট্যুইস্ট Saree Style

ক্লাসিক্যাল ট্যুইস্ট স্টাইল মেয়েদের একদম মর্ডার্ণ লুক এনে দেয়। এ স্টাইলে মেয়েদের  দেখতে অনেকটা স্মার্ট লাগে। ক্লাসিক ট্যুইস্ট স্টাইলে শাড়ী ক্যারি করাও খুব সহজ হবে। শাড়িটি যেভাবে পড়বেন আর শাড়ির আঁচলটা আপনি প্লিট করে সরু করে নিবেন। এবং কোমরের কাছে একটু নিচু করে শাড়িটি পড়বেন এবার প্লিট করা আঁচলটা কাঁধের উপর ফেলে দিন। এই স্টাইলে শাড়ী পরলে খুব সুন্দর দেখাবে।

নতুন নতুন শাড়ীর ডিজাইন পেতে হলে প্রণয়িনীর সাথেই থাকুন। এখানে পাবেন নতুন নতুন কালেকশনের শাড়ি। যা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেমন, নতুন হোল্ড, বিবাহ, নৈমিত্তিক, আনুষ্ঠানিক এবং পার্টি পরিধানের শাড়ি হিসেবে পরতে পারবেন।

Change